ENGLISH  |  ARABIC  |  NNBDJOBS  |  BLOG
সর্বশেষ:
ব্রেকিং নিউজ

মুতাসিম বিল্লাহ

২৮ নভেম্বর ২০২১, ১২:১১

“ইন্টারন্যাশনাল ইনভেস্টমেন্ট সামিট’ এর উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

22513_IMG-20211128-WA0000.jpg
 
আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের আকর্ষণ করার লক্ষ্যে হোটেল রেডিসন ব্লুতে ইন্টারন্যাশনাল ইনভেস্টমেন্ট সামিট- ২০২১ এর উদ্বোধন  করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

রোববার রেডিসন ব্লু ওয়াটার গার্ডেনে আয়োজিত সামিট এ গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে উদ্বোধন করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা দীর্ঘ সোয়া দু'শো বছরের পরাধীনতার শৃঙ্খল ছিন্ন করে বাঙালি জাতিকে অন্ধকার থেকে আলোর পথে এনেছেন। তিনি রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব নেয়ার সময় একটা মালবাহী জাহাজও ছিলনা, সকল যোগাযোগ অবকাঠামো ছিল ধ্বংস্তূপ, বৈদেশিক মুদ্রা ও গোল্ড রিজার্ভ ছিলনা। শূণ্য হাতেই 'সোনার বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় সংগ্রামে নেমেছিলেন। তিনি সকল কল-কারখানা জাতীয়করণ করে জনহার মালিকানা প্রতিষ্ঠা করেছেন। বাংলাদেশকে বহির্বিশ্বের সঙ্গে যুক্ত করে বিনিয়োগ-বাণিজ্যের সুযোগ সৃষ্টি করেছেন।

মানুষের ভাগ্যোন্নয়নের জন্য প্রাকৃতিক গ্যাস আহরণ করে সার কারখানা স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছিলেন। তাঁর লক্ষ্য ছিল কৃষক অল্পদামে সার পাবে, শ্রেণী ফসল উৎপাদন করবে, খাদ্য নিরাপত্তা অর্জিত হবে, উদ্বৃত্ত খাদ্য ও সার বিদেশেও রপ্তানী করা যাবে। লক্ষ্যই ছিল দেশীয় সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার এবং মানব সম্পদের উন্নয়ন। ১৯৭৪ সালের ১০ই ডিসেম্বর এ বলেছিলেন, 'আপনাদের অনেক কষ্ট করতে হবে। বাংলাদেশে সম্পদ আছে। সে সম্পদ ব্যবহার করা হয় নাই। ব্যবহার করতে সময় লাগবে না, যদি বাংলাদেশের সম্পদ আমরা ব্যবহার করতে পারি, তাহলে বাংলাদেশ যে 'সোনার বাংলাদেশ হবে, সে বিষয়ে আমার কোনো সন্দেহ নাই।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই আন্তর্জাতিক সম্মেলনে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, চীন, জাপান, ভারত, সৌদি আরব, তুরস্ক, মালয়েশিয়াসহ বিশ্বের ১৫টি দেশের ২,৩৩২ জন অংশগ্রহণকারী নিবন্ধন করেছে জেনে আমি আনন্দিত হয়েছি। বিনিয়োগের জন্য আমরা সম্ভাবনাময় ১১টি খাত চিহ্নিত করেছি। যেমন- অবকাঠামো, পুঁজিবাজার ও ফাইন্যান্সিয়াল সেবা, তথ্য-প্রযুক্তি, ইলেক্ট্রনিকস্ উৎপাদন, চামড়া, স্বয়ংক্রিয় ও হালকা প্রকৌশল, কৃষিপণ্য ও খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, স্বাস্থ্যসেবা ও ঔষধ, পাট-বস্ত্র, এবং ব্লু-ইকোনমি। আমি বিশ্বাস করি, এই সম্মেলনের মাধ্যমে বিনিয়োগকারীগণ

বাংলাদেশে এসব খাতের সম্ভাবনা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারবেন। বিশ্বে বাংলাদেশী পণ্যের নতুন বাজার সৃষ্টি হবে এবং বাংলাদেশ কাঙ্ক্ষিত বিনিয়োগ আকর্ষণে সক্ষম হবে।

মুজিববর্ষ এবং স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপনের মাহেন্দ্রক্ষণে এই বিনিয়োগ সম্মেলনটি আয়োজন করায় আমি সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়ে 'ইন্টারন্যাশনাল ইনভেস্টমেন্ট সামিট-২০২১' এর শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করছি।